
পিতৃঋণ
যাঁদের কাছে আমাদের সবকিছুর ঋণ, তাঁদের প্রয়াণের পরও আত্মার পরবর্তী যাত্রা থাকে—এমনই বিশ্বাস। সেই যাত্রা পূর্ণ হতে সাহায্য করাই আমাদের পিতৃঋণ।

পিণ্ডদান · গয়া
পূর্বপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধায়, পরিবারের পাশে থেকে আয়োজন।
পূর্বপুরুষের আত্মার শান্তি ও মোক্ষলাভের উদ্দেশে গয়ায় পিণ্ডদান করা হয়। শাস্ত্রে বর্ণিত বিধি ও ক্রম মেনে এই কর্ম সম্পন্ন হলেই তা পূর্ণ হয়—এমনই ধর্মীয় বিশ্বাস।
বেদ ও শাস্ত্রজ্ঞ তীর্থপুরোহিতের (পাণ্ডাজি) তত্ত্বাবধানে আপনাদের পিণ্ডদান হয়। পূজার প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও বিধিক্রমের ব্যবস্থা থাকে; চাইলে পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী থাকা, স্থানীয় যাতায়াত ও দর্শনের ব্যবস্থাও করা হয়।
আমাদের কাছে শ্রদ্ধাই মুখ্য। আগে কথা বলুন, পূজার বিধি ও আয়োজন বুঝে নিন। তারপর পরিবারের জন্য কী কী প্রয়োজন, স্থির করুন।
যে পূজাগুলি আমরা করাই
সঠিক বিধি বেছে নেওয়াই সবচেয়ে জরুরি। আমরা শাস্ত্র অনুযায়ী পরামর্শ দিই।
শ্রদ্ধার নিবেদন সঠিক বিধিতেই পূর্ণ হয়।
তিনটি স্থান—ফল্গু, বিষ্ণুপদ ও অক্ষয়বট; সবই 200 মিটারের মধ্যে
গয়ার অন্যান্য বিধি
বিশেষ পরিস্থিতিতে
কোন বিধিটি প্রযোজ্য বুঝতে পারছেন না?
পরিস্থিতি জানান। গয়ার পাণ্ডাজি পরিবারের জন্য উপযুক্ত বিধি নিশ্চিত করবেন। পরামর্শের জন্য কোনও খরচ নেই, বুকিংয়ের বাধ্যবাধকতাও নেই।
পরামর্শের জন্য ফোন করুনপ্রতিটি মূল্যেই শাস্ত্রবিধি মেনে পূজা, সমস্ত সামগ্রী ও দক্ষিণা অন্তর্ভুক্ত। কোনও খরচ গোপন রাখা হয় না; পূজার সম্পূর্ণ বিধি পালন করা হয়।
আগে যে খরচ বলা হবে, সেটিই দিতে হবে; পরে বাড়তি টাকা চাওয়া হবে না।
এখান থেকেই শুরু
মা-বাবার উদ্দেশে এই কর্ম আপনাদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোনও বিধি অসম্পূর্ণ রেখে নয়—প্রতিটি ধাপ বুঝিয়ে, আপনাদের সামনেই শাস্ত্র মেনে কর্ম সম্পন্ন হয়। খরচও শুরুতেই জানানো হয়। আগে কথা বলুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন।
শ্রাদ্ধে শ্রদ্ধার সঙ্গে বিধিও জরুরি।
শাস্ত্রবিধি মেনে কর্ম সম্পন্ন না হলে শ্রাদ্ধ অসম্পূর্ণ থেকে যায়—আন্তরিক শ্রদ্ধা থাকলেও।
আলাদা খরচ নেই
পূজার ব্যবস্থার সঙ্গেই এই সহায়তাগুলি পাবেন। এগুলির জন্য আলাদা টাকা দিতে হবে না।
গয়ার পাণ্ডাজিরা
পরিচয় ও বংশপরম্পরা যাচাই করা গয়াওয়াল তীর্থপুরোহিতেরা শাস্ত্রবিধি মেনে আপনাদের শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদান করান।
কার উদ্দেশে পিণ্ডদান এবং মোটামুটি কবে আসতে চান—শুরুতে এটুকুই জানালেই হবে। কথা বলার জন্য কোনও টাকা দিতে হয় না, বুকিংয়ের বাধ্যবাধকতাও নেই।
কর্ম করানোর জন্য পাণ্ডাজি থাকবেন; প্রয়োজনীয় সামগ্রীও প্রস্তুত থাকবে। পরিবারের প্রয়োজন হলেই থাকা ও স্থানীয় যাতায়াতের ব্যবস্থা যোগ হবে।
গয়ায় গাড়ির প্রয়োজন হলে আগে থেকেই ঠিক করে রাখব। না হলে কেবল পূজার ব্যবস্থাই থাকবে।
তীর্থপুরোহিত ধীরে সুস্থে সম্পূর্ণ বিধি করাবেন। আপনারা মন দিন পূর্বপুরুষের স্মরণে।
কী প্রয়োজন, জানান
শাস্ত্রবিধি মেনে কর্ম করানোর জন্য গয়ার বিশ্বস্ত পুরোহিত।
আপনারা পৌঁছনোর আগেই প্রয়োজনীয় সব সামগ্রী প্রস্তুত থাকবে।
বাজেট অনুযায়ী ঘাটের কাছাকাছি পরিবারের থাকার ঘর ঠিক করা যায়।
যে কদিন দরকার, সেই কদিনের জন্য পূজাস্থলগুলিতে যাতায়াতের গাড়ি রাখা যায়।
প্রয়োজন হলে আপনাদের সফরের ব্যবস্থা দেখাশোনার জন্য একজন থাকবেন।
বিধি অনুযায়ী
প্রতিটি কর্ম তীর্থপুরোহিতের তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ শাস্ত্রবিধি মেনে হয়। পরিবারের উদ্দেশ্য জানালে উপযুক্ত বিধি বুঝিয়ে দেব।
পূর্বপুরুষের কাছে আমাদের যে ঋণ, সেই পিতৃঋণ স্মরণ করে শ্রদ্ধা নিবেদনই এই কর্মগুলির উদ্দেশ্য।
পূর্বপুরুষের উদ্দেশে মূল পিণ্ডদান ও শ্রাদ্ধ
বিস্তারিত জানুনবহুদিন শ্রাদ্ধ না হয়ে থাকলে, তিন প্রজন্মের উদ্দেশে
বিস্তারিত জানুনপরিবারে অকালমৃত্যু বা অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে
বিস্তারিত জানুনএকজন নির্দিষ্ট প্রয়াতজনের উদ্দেশে শ্রাদ্ধ
বিস্তারিত জানুনপিতৃশান্তি ও পূর্বপুরুষের আশীর্বাদ কামনায়
বিস্তারিত জানুনবিধি ও পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ হয়। ফোনে কথা বলে সব খরচ আগে জেনে নিতে পারবেন, কোনও খরচ গোপন থাকবে না। সাধারণত পিণ্ডদানের খরচ প্রায় ₹5,100 থেকে শুরু।
কোন বিধি করাবেন, স্থির করেছেন?আমাদের জানান। পুরোহিত ও প্রতিটি ধাপের ব্যবস্থা বুঝিয়ে দেব। এখনই টাকা দিতে হবে না।
কোনটি প্রয়োজন বুঝতে পারছেন না? ফোন করুন, পরিবারের পরিস্থিতি শুনে সঠিক বিধি জানাব।
কেবল ভক্তি থাকলেই হয় না; শাস্ত্রনির্দিষ্ট বিধি পূর্ণ না হলে শ্রাদ্ধও অসম্পূর্ণ থেকে যায়—এমনই পরম্পরার শিক্ষা।
শ্রাদ্ধে প্রতিটি মন্ত্র ও ক্রিয়া সঠিক ক্রমে সম্পন্ন করতে হয়। গয়ার তীর্থপুরোহিত ও পণ্ডিতেরা এই বিধি পরম্পরায় জানেন। আপনাদের শ্রদ্ধা যেন যথাযথ কর্মের মধ্য দিয়ে নিবেদিত হয়, সেই আয়োজনের দায়িত্ব আমরা নিই।
এই কর্মের তাৎপর্য
মৃত্যু অনিবার্য, তবু সেখানেই সব শেষ নয়। জীবন এক অবিচ্ছিন্ন ধারা; সেই ধারারই একটি অংশ আমরা।

পিতৃঋণ
যাঁদের কাছে আমাদের সবকিছুর ঋণ, তাঁদের প্রয়াণের পরও আত্মার পরবর্তী যাত্রা থাকে—এমনই বিশ্বাস। সেই যাত্রা পূর্ণ হতে সাহায্য করাই আমাদের পিতৃঋণ।

গয়ার পুণ্যভূমি
গয়া সেই পুণ্যভূমি, যেখানে রাজা দশরথের আত্মা পিণ্ড চেয়েছিলেন আর সীতাদেবী এই ভূমির বালি দিয়েই পিণ্ডদান করেছিলেন। মর্যাদা পুরুষোত্তম রামও যখন পিতৃঋণের ঊর্ধ্বে নন, তখন আমরা কীভাবে সেই ঋণ ভুলে থাকি?

ফল্গু নদী
এখানেই বয়ে চলেছে অন্তঃসলিলা ফল্গু—ওপরে বালি, নীচে অবিরাম জলধারা। প্রিয়জনেরাও যেন তেমনই; মৃত্যুর পরে চোখের আড়াল হলেও আমাদের অন্তরে তাঁদের উপস্থিতি মুছে যায় না।

পিণ্ড অর্পণের তাৎপর্য
চাল, যব ও তিল দিয়ে গড়া পিণ্ড কেবল একটি অর্ঘ্য নয়; যে দেহ আর নেই, তারই প্রতীক। ধর্মীয় বিশ্বাসে, পিণ্ড অর্পণের মধ্য দিয়ে প্রয়াতজনকে সেই দেহ এবং মোক্ষের পথে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেওয়া হয়।
শান্ত মনে, সঠিক ক্রমে প্রতিটি মন্ত্র ও ক্রিয়া সম্পন্ন করাই শ্রাদ্ধের বিধি। শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই বিধিও সমান জরুরি। গয়ার তীর্থপুরোহিত ও পণ্ডিতেরা পরম্পরায় এই বিধি জানেন। কর্ম আপনাদের, আয়োজনের দায়িত্ব আমাদের।
শ্রদ্ধার সঙ্গে কর্ম, যত্নের সঙ্গে আয়োজন।
গয়ার পুণ্যস্থান
গয়ার প্রধান মন্দির। গয়াসুরকে স্থির রাখতে বিষ্ণু পাথরে যে চরণ রেখেছিলেন বলে পুরাণকথা, সেই চরণচিহ্নকে ঘিরেই মন্দির। গয়ার পিণ্ডদানে ভগবানের এই চরণে নিবেদন অন্যতম প্রধান কর্ম।
সীতাদেবীর আশীর্বাদে চিরজীবী বলে পূজিত বটগাছ। এর নীচে শেষ সুফল গ্রহণ না করলে গয়ার পিণ্ডদান অসম্পূর্ণ বলে মানা হয়। কথিত আছে, রামও এখানে দশরথের উদ্দেশে পিণ্ড অর্পণ করেছিলেন।
সীতাদেবীর পিতৃকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা গয়ার পবিত্র নদী। প্রয়াত পূর্বজনের উদ্দেশে জল ও তিল দিয়ে ফল্গুতে তর্পণের মধ্য দিয়ে কর্ম শুরু হয়।
বিষ্ণুপদ থেকে 8 কিমি উত্তরের পাথুরে পাহাড়। দুর্ঘটনা বা অন্যভাবে অকালে প্রয়াত আত্মার জন্য এখানে কর্ম হয়। ধর্মশিলায় পিণ্ড ও ছাতু নিবেদনে প্রেতদশা থেকে মুক্তির পথ উন্মুক্ত হয় বলে ধর্মীয় বিশ্বাস।
গয়ার পুরাণকথা
বায়ুপুরাণের কথায়, অসুর গয়াসুর এমন কঠোর তপস্যা করেছিলেন যে তাঁর দেহই পবিত্র হয়ে উঠেছিল। যাঁরা তাঁকে স্পর্শ করতেন বা তাঁর দেহের ওপর মৃত্যুবরণ করতেন, সঙ্গে সঙ্গে মোক্ষলাভ করতেন। স্বর্গ পূর্ণ হতে লাগল, নরক শূন্য হল; সৃষ্টির স্বাভাবিক শৃঙ্খলা বদলে গেল।
শৃঙ্খলা ফেরাতে দেবতারা গয়াসুরের দেহে মহাযজ্ঞ করার অনুমতি চাইলেন। তিনি সম্মত হয়ে আজকের গয়ার ভূমিতে শুয়ে পড়লেন। তবুও দেহ কাঁপতে থাকায় বিষ্ণু একটি পাথরের ফলকের ওপর চরণ রেখে তাঁকে স্থির করলেন। সেই চরণচিহ্ন ঘিরেই আজকের বিষ্ণুপদ মন্দির।
বিনিময়ে গয়াসুর বর চাইলেন—এই ভূমি যেন শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদানের শ্রেষ্ঠ ক্ষেত্র হয়, যেখানে জীবিতের নিবেদনে প্রয়াতজন মুক্তি পান। বিষ্ণু সেই বর দিলেন। গয়া মাহাত্ম্যে তাই এখানকার পিণ্ডদানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম পূর্বপুরুষের মুক্তির কথা বলা হয়েছে।
বায়ুপুরাণেই এই গয়া মাহাত্ম্য বর্ণিত। সেই বায়ুপুরাণ থেকে আমাদের নামের প্রেরণা, আর পিতৃকর্মের এই উদ্দেশ্যেই আমাদের আয়োজন।
পরিবারের সাধারণ প্রশ্ন
বলুন, পরিবারের কারা শুধু বাংলায় স্বচ্ছন্দ এবং পুরোহিতের কাছেই বাংলায় ব্যাখ্যা চান কি না। যিনি কর্ম করাবেন, তাঁর সঙ্গে কীভাবে কথা হবে এবং কে বাংলায় বুঝিয়ে দেবেন, বুকিংয়ের আগে জেনে নিন।
বাঙালি পরিবারের মধ্যেও শ্রাদ্ধের রীতি এক নয়। আপনাদের কুলপুরোহিতের নির্দেশ, গোত্র, যাঁদের উদ্দেশে কর্ম হবে তাঁদের নাম ও সম্পর্ক, এবং কর্তা কে হবেন—এসব আগে জানান। গয়ার বিধির সঙ্গে পারিবারিক রীতি কীভাবে মানা যাবে, নির্দিষ্ট পুরোহিতের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করুন।
মন্ত্রপাঠ সাধারণত সংস্কৃতেই হয়। বাংলায় সাহায্য বলতে পরিবারের সঙ্গে কথা বলা, সংকল্পে নাম-গোত্র ঠিক আছে কি না মিলিয়ে নেওয়া এবং কখন কী করতে হবে তা বোঝানো বোঝায়। মন্ত্রের ভাষা ও ব্যাখ্যার ভাষা আলাদা।
অবশ্যই। প্রথমবার আসা পরিবারের কথা ভেবেই এই ব্যবস্থা। পাণ্ডাজি ও সামগ্রী ঠিক করে দিই, কোন স্থানে কোন ক্রমে যেতে হবে বুঝিয়ে দিই। পরিবারের প্রয়োজন হলে থাকা ও স্থানীয় যাতায়াতের ব্যবস্থাও যোগ করি।
না। ফোনে কথা বলা বা খোঁজ নেওয়া সম্পূর্ণ বিনামূল্যে; বুকিং করতেই হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই। প্রতিটি খাতের খরচ জেনে এগোনোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেই টাকা দিতে হয়।
গয়ার তীর্থপুরোহিত ও পাণ্ডাজিরা পবিত্র স্থানগুলির বিধি ও ক্রম পরম্পরায় জানেন। আমরা এমন বিশ্বস্ত পুরোহিতদের সঙ্গেই কাজ করি, যাঁরা ধৈর্য ধরে শাস্ত্রবিধি মেনে কর্ম করান। ঘাটে অচেনা কোনও দালালের হাতে আপনাদের তুলে দেওয়া হয় না।
পিতৃপক্ষের বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে এবং এই সময় ভিড়ও সবচেয়ে বেশি। তবে বছরের অন্য সময়েও গয়ায় পিণ্ডদান ও শ্রাদ্ধ করা যায়। কবে আসতে চান জানালে উপযুক্ত সময় সম্পর্কে পরামর্শ দেব।
অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের হয়ে নিকটাত্মীয় শ্রাদ্ধ করতে পারেন। পরিস্থিতি জানালে পাণ্ডাজি পরম্পরা অনুযায়ী কী করা যায় বুঝিয়ে দেবেন।
কোন বিধি, কতজন পূর্বপুরুষের উদ্দেশে, কোন কোন স্থানে কর্ম এবং পরিবারের কতজন আসছেন—এসবের ওপর খরচ নির্ভর করে। তাই সবার জন্য এক অঙ্ক নয়। ফোন করুন বা তথ্য পাঠান; প্রয়োজন বুঝে পূজার খরচ, পুরোহিতের দক্ষিণা, সামগ্রী এবং চাইলে থাকা ও গাড়ির খরচ আলাদা করে জানাব। তার আগে টাকা দিতে হবে না।
পূজার জন্য দেওয়া টাকা সম্পূর্ণ ফেরত পাবেন—আগের দিন বা পূজার দিন সকালেও বাতিল করলে। কোনও টাকা কাটা হয় না, কারণও জানাতে হয় না। আসতে না পারার সঙ্গে টাকা হারানোর চিন্তা যেন না যোগ হয়। শুধু আপনাদের জন্য বুক করা হোটেলের ক্ষেত্রে সেই হোটেলের নিজস্ব বাতিলের শর্ত প্রযোজ্য।
পড়ে জানুন
২০২৬ সালে পূর্ণিমা শ্রাদ্ধ ২৬ সেপ্টেম্বর; প্রতিপদ থেকে অমাবস্যা পর্যন্ত পিতৃপক্ষের শ্রাদ্ধ চলবে ২৭ সেপ্টেম্বর–১০ অক্টোবর।
9 মিনিটে পড়া যাবেকর্ম আপনাদের, আয়োজনের দায়িত্ব আমাদের।