বিষ্ণুর চরণস্পর্শের ভূমি
বায়ুপুরাণ ও গরুড়পুরাণের কথায়, গয়াসুর এমন বর পেয়েছিলেন যে তাঁকে দেখলে বা স্পর্শ করলেই মোক্ষলাভ হত। সৃষ্টির শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বিষ্ণু এখানেই তাঁর বক্ষে চরণ রাখেন। গয়াসুরের শেষ প্রার্থনা ছিল-এই পবিত্র ভূমিতে শ্রাদ্ধ করলে যেন পূর্বপুরুষের মুক্তি হয়।
বিষ্ণুর চরণচিহ্ন
গর্ভগৃহের কঠিন ব্যাসল্ট পাথরে প্রায় 40 সেন্টিমিটার দীর্ঘ বিষ্ণুর চরণচিহ্ন রয়েছে, রুপো-মোড়া আধারের মধ্যে সংরক্ষিত। এটিই গয়ার পিণ্ডদানের অন্যতম আধ্যাত্মিক কেন্দ্র। ফল্গুর পাশে বর্তমান মন্দিরটি ইন্দোরের রানি অহল্যাবাঈ হোলকর 1787 সালে পুনর্নির্মাণ করেন।
কর্মসূচিতে বিষ্ণুপদ
সাধারণত ফল্গুতে তর্পণ ও অক্ষয়বটের কর্মের সঙ্গে বিষ্ণুপদ রাখা হয়। তারিখ, ভিড় ও পারিবারিক পরম্পরা অনুযায়ী চূড়ান্ত ক্রম পাণ্ডাজি নিশ্চিত করবেন।
প্রবেশ ও ভিড় সম্পর্কে
মন্দিরের ভিতরে মোবাইল, ক্যামেরা ও বৈদ্যুতিন যন্ত্র নেওয়া নিষেধ। শালীন পোশাক পরা প্রত্যাশিত। পিতৃপক্ষ বা ভিড়ের দিনে বাড়তি সময় রাখুন; বয়স্ক সদস্যদের বসা ও বিশ্রামের কথা আগে ভাবুন।
