একোদ্দিষ্ট শ্রাদ্ধ

পিতৃকর্ম

একোদ্দিষ্ট শ্রাদ্ধ

একজন নির্দিষ্ট প্রয়াতজনের নাম নিয়ে নিবেদিত শ্রাদ্ধ। গয়াওয়াল পাণ্ডাজি পরিস্থিতি বুঝে বিধি নিশ্চিত করেন এবং কর্ম করান।

খরচ—শাস্ত্রবিধি মেনে পূজা, সমস্ত সামগ্রী ও দক্ষিণা

  • একোদ্দিষ্ট শ্রাদ্ধ5,100
ফোনে পরামর্শথাকার ব্যবস্থা করতে সহায়তাগয়ায় স্থানীয় সহায়তা

আনুমানিক সময়—প্রায় 2–3 ঘণ্টা

একটি পরিবারের নিজের কথায়আরও অভিজ্ঞতা পড়ুন

পরিবারের পরিস্থিতি অনুযায়ী পূজার বিধি আলাদা হয়। কোনটি প্রয়োজন, জানতে ফোন করুন।

একজনের উদ্দেশে নিবেদন

‘একোদ্দিষ্ট’ অর্থ একজনকে উদ্দেশ করে নিবেদিত। এই শ্রাদ্ধ একজন নির্দিষ্ট প্রয়াতজনের জন্য হয়। পরম্পরায় মৃত্যুর পরবর্তী সময়ে এবং মৃত্যুবার্ষিকীতে এটি করা হয়; উদ্দেশ্য আত্মার প্রেতদশা থেকে পিতৃগণের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পথে সহায়তা করা।

নির্দিষ্ট পূর্বজনের নাম নিয়ে

সাধারণ শ্রাদ্ধের পরিবর্তে এখানে একজন প্রয়াতজনের নাম ও পরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নির্দিষ্ট করে সংকল্প এবং নিবেদন করা হয়।

প্রয়াণের পর আত্মার গতি

এই কর্ম মৃত্যুর পরে আত্মার যাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত। নির্দিষ্ট সেই প্রয়াতজনের শান্তি ও সদ্গতিই এর কাম্য।

পুরোহিতের নির্দেশ অনুযায়ী

কোন বিধি প্রযোজ্য এবং বৃহত্তর গয়া শ্রাদ্ধের সঙ্গে এটি করা হবে কি না, গয়াওয়াল পাণ্ডাজি স্থির করবেন। আমরা তথ্য নিয়ে প্রয়োজনীয় আয়োজন করি।

গয়ার পুণ্যস্থান

গয়ায় যেখানে পিণ্ডদান হয়

বিষ্ণুপদ মন্দির

গয়ার প্রধান মন্দির। গয়াসুরকে স্থির রাখতে বিষ্ণু পাথরে যে চরণ রেখেছিলেন বলে পুরাণকথা, সেই চরণচিহ্নকে ঘিরেই মন্দির। গয়ার পিণ্ডদানে ভগবানের এই চরণে নিবেদন অন্যতম প্রধান কর্ম।

অক্ষয়বট

সীতাদেবীর আশীর্বাদে চিরজীবী বলে পূজিত বটগাছ। এর নীচে শেষ সুফল গ্রহণ না করলে গয়ার পিণ্ডদান অসম্পূর্ণ বলে মানা হয়। কথিত আছে, রামও এখানে দশরথের উদ্দেশে পিণ্ড অর্পণ করেছিলেন।

ফল্গু নদী

সীতাদেবীর পিতৃকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা গয়ার পবিত্র নদী। প্রয়াত পূর্বজনের উদ্দেশে জল ও তিল দিয়ে ফল্গুতে তর্পণের মধ্য দিয়ে কর্ম শুরু হয়।

প্রেতশিলা

বিষ্ণুপদ থেকে 8 কিমি উত্তরের পাথুরে পাহাড়। দুর্ঘটনা বা অন্যভাবে অকালে প্রয়াত আত্মার জন্য এখানে কর্ম হয়। ধর্মশিলায় পিণ্ড ও ছাতু নিবেদনে প্রেতদশা থেকে মুক্তির পথ উন্মুক্ত হয় বলে ধর্মীয় বিশ্বাস।

গয়ার পুরাণকথা

বায়ুপুরাণে গয়ার কথা

বায়ুপুরাণের কথায়, অসুর গয়াসুর এমন কঠোর তপস্যা করেছিলেন যে তাঁর দেহই পবিত্র হয়ে উঠেছিল। যাঁরা তাঁকে স্পর্শ করতেন বা তাঁর দেহের ওপর মৃত্যুবরণ করতেন, সঙ্গে সঙ্গে মোক্ষলাভ করতেন। স্বর্গ পূর্ণ হতে লাগল, নরক শূন্য হল; সৃষ্টির স্বাভাবিক শৃঙ্খলা বদলে গেল।

শৃঙ্খলা ফেরাতে দেবতারা গয়াসুরের দেহে মহাযজ্ঞ করার অনুমতি চাইলেন। তিনি সম্মত হয়ে আজকের গয়ার ভূমিতে শুয়ে পড়লেন। তবুও দেহ কাঁপতে থাকায় বিষ্ণু একটি পাথরের ফলকের ওপর চরণ রেখে তাঁকে স্থির করলেন। সেই চরণচিহ্ন ঘিরেই আজকের বিষ্ণুপদ মন্দির।

বিনিময়ে গয়াসুর বর চাইলেন—এই ভূমি যেন শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদানের শ্রেষ্ঠ ক্ষেত্র হয়, যেখানে জীবিতের নিবেদনে প্রয়াতজন মুক্তি পান। বিষ্ণু সেই বর দিলেন। গয়া মাহাত্ম্যে তাই এখানকার পিণ্ডদানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম পূর্বপুরুষের মুক্তির কথা বলা হয়েছে।

বায়ুপুরাণেই এই গয়া মাহাত্ম্য বর্ণিত। সেই বায়ুপুরাণ থেকে আমাদের নামের প্রেরণা, আর পিতৃকর্মের এই উদ্দেশ্যেই আমাদের আয়োজন।

কী প্রয়োজন, জানান

প্রতিটি আয়োজনে যা থাকে

যা অন্তর্ভুক্ত

  • একজন নির্দিষ্ট প্রয়াতজনের উদ্দেশে একোদ্দিষ্ট শ্রাদ্ধ
  • তাঁর নাম ও সম্পর্ক জানিয়ে সংকল্পে একটি পিণ্ড অর্পণ
  • সমস্ত সামগ্রী—পিণ্ডের উপকরণ, তিল, যব, কুশ ও তুলসী
  • নির্ধারিত মন্ত্রপাঠ-সহ তর্পণ
  • পূজার উপকরণ—ফুল, ধূপ, ঘিয়ের প্রদীপ ও পৈতে
  • শাস্ত্রবিধি মেনে পূজা, সমস্ত সামগ্রী ও দক্ষিণা
  • এই নির্দিষ্ট কর্মের প্রতিটি ধাপে পাণ্ডাজির নির্দেশনা

যা অন্তর্ভুক্ত নয়

  • গয়া পর্যন্ত আসা-যাওয়া
  • থাকার খরচ
  • এই বিধির বাইরে পরিবারের খাবার বা ভোজ
  • গোদান বা অতিরিক্ত দান
  • অন্য পিতৃকর্ম (ত্রিপিণ্ডী, নারায়ণ বলি)
  • অতিরিক্ত দক্ষিণা বা দান

গয়ার পাণ্ডাজিরা

যাঁদের তত্ত্বাবধানে আপনাদের শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদান

পরিচয় ও বংশপরম্পরা যাচাই করা গয়াওয়াল তীর্থপুরোহিতেরা শাস্ত্রবিধি মেনে আপনাদের শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদান করান।

প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে 1,00,000-এরও বেশি পরিবারের সেবায়

পরিবারের সাধারণ প্রশ্ন

প্রশ্নোত্তর

একোদ্দিষ্ট শ্রাদ্ধ সাধারণত কাদের জন্য?

একজন নির্দিষ্ট প্রয়াতজনের উদ্দেশে এই শ্রাদ্ধ হয়। চূড়ান্ত বিধি পাণ্ডাজির সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত করতে হবে।

গয়ায় পিণ্ডদানের সঙ্গে করা যাবে?

পিণ্ডদানের সঙ্গে মিলিয়ে করা উচিত, না আলাদাভাবে—পাণ্ডাজি নিশ্চিত করবেন।

আপনারা কী কী ব্যবস্থা করেন?

পাণ্ডাজির পরামর্শ, সামগ্রী, সময়, স্থানীয় যাতায়াত ও আয়োজনের বিবরণ গুছিয়ে দিই।

এখান থেকেই শুরু

কোনও প্রশ্ন থাকলে বলুন, বুঝিয়ে দেব

মা-বাবার উদ্দেশে এই কর্ম আপনাদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোনও বিধি অসম্পূর্ণ রেখে নয়—প্রতিটি ধাপ বুঝিয়ে, আপনাদের সামনেই শাস্ত্র মেনে কর্ম সম্পন্ন হয়। খরচও শুরুতেই জানানো হয়। আগে কথা বলুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন।

শ্রাদ্ধে শ্রদ্ধার সঙ্গে বিধিও জরুরি।

শাস্ত্রবিধি মেনে কর্ম সম্পন্ন না হলে শ্রাদ্ধ অসম্পূর্ণ থেকে যায়—আন্তরিক শ্রদ্ধা থাকলেও।

লিখে জানাতে চান?আপনাদের তথ্য পাঠানসুবিধা হলে এই ফর্মটি পূরণ করুন। শুরু করার জন্য ফোন বা WhatsApp-এ কথা বলাই যথেষ্ট।
কী কী প্রয়োজন জানান (ঐচ্ছিক—যেগুলি দরকার, শুধু সেগুলিই বেছে নিন)

এখনই টাকা দিতে হবে না। আগে ফোন করে আপনাদের প্রয়োজন বুঝে নেব।

+91 77177 85996WhatsApp
গয়ায় একোদ্দিষ্ট শ্রাদ্ধ — একজন প্রয়াতজনের উদ্দেশে